সংসারী মানুষ! তোমার মুক্তি নেই ।

আজকাল আগের মত আবেগের মূল্য নেই ।
অথবা অঞ্জন দত্তের “তুমি না থাকলে মন কষাকষি , করে হাসাহাসি – নাক ঘষাঘষি ………।
এসবের মধ্যে কিছু না কিছু আন্তঃসম্পর্ক আছে বৈকি ।
আমরা মানুষেরা নিজের মত হয়তো কখনোই চলতে পারি না, যদিও অনেকে আমরা বুক ঠুকে বলি যে , “আমি আমার মত “।
Related image

আমরা জানি বা নাই জানি , তবে হামেসাই আমরা আমাদের অবচেতন মনকে এসবের পেছনে দায়ী করি । তবে যাই করি না কেন , মানুষ হিসেবে হলেও আমাদের অবচেতন মন আমাদের নিয়ে কি খেলা করে এশম্পরকে জানা দরকার ।

চলুন দেখি অবচেতন মন সম্পর্কে কিছু সোজা-সাপটা সাধারণ, তবে দারুণ তত্ত্ব এবং তথ্য ।
আমাদের অবচেতন মন একটা বিশাল মেমোরি ব্যাংক এর মত । এর ধারন ক্ষমতা কার্যত সীমাহীন ।
আমাদের সাথে যা কিছু ঘটে এটি তার সবই স্থায়ী ভাবে সঞ্চয় করে ।
আপনার বয়স যদি ২১ বছর হয় তবে আপনার এই অবচেতন মন সমগ্র এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা বিষয়বস্তু ১০০ বারেরও বেশি সংখ্যক বার ষ্টোর করেছে । সম্মোহন বা মেডিটেশন এর মাধ্যমে মানুষ ৫০ বছর পূর্বে ঘটে যাওয়া ঘটনাও পরিশকার ভাবে মনে করতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের মত ।
আমাদের অবচেতন মনের ফাংশনই হল তথ্য সংরক্ষণ এবং তথ্য রিট্র্যাইভ করা ।
আপনার অবচেতন মন ব্যক্তিভিত্তিক বা বিষয়ী ।এটি স্বাধীনভাবে চিন্তা বা যুক্তি দেয় না; এটা আপনার সচেতন মন থেকে পাওয়া কমান্ড গুলো নিখুত ভাবে ফলো করে।

আপনার সচেতন মনকে বাগানের মালী বলে মনে করা যায়, যেখানে বীজ বপন করা যায় এবং আপনার অবচেতন মন বাগানের বা উর্বর মাটি হিসাবে চিন্তা করা যেতে পারে, যেখানে বীজ অঙ্কুর ও বৃদ্ধি পায়।

আপনার সচেতন মন নির্দেশ দেয় এবং আপনার অবচেতন মন সে নির্দেশ পালন করে ।
আপনার অবচেতন মন একটি নিখুঁত এবং প্রশ্ন না করা দাস যে সারা দিনরাত  আপনার আবেগপূর্ণ  চিন্তা চেতনাকে আপনার চরিত্রের সঙ্গে মামানশই একটি প্যাটার্ন দিতে কাজ করে ।

আপনার অবচেতন মনে একটি হোমস্ট্যাটিক ইম্পালস আছে। এটি আপনার শরীরের তাপমাত্রা 98.6 ডিগ্রী ফারেনহাইট রাখে, একটি নির্দিষ্ট হারে আপনার হৃদয় কম্পন ঠিক রাখে। 

আপনার স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে, এটি আপনার কোটি কোটি কোষের মধ্যে শত শত রাসায়নিকগুলির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখে যাতে আপনার পুরো শারীরিক যন্ত্রটিকে বেশিরভাগ সময়ে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখে।
আপনার অবচেতন মন আপনাকে শারীরিক এবং মানুশিকভাবে অস্বস্তিতে ফেলে যখন আপনি নতুন অথবা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করেন, অথবা আপনার মধ্যকার স্তাব্লিস যে আচরণগত প্যাটার্নে কোন পরিবর্তন করতে চান ।
মন মানুশিকতায় উচ্চ স্তরের মানুষেরা সবসময়ই নিজেদেরকে তাদের কম্ফোর্ট জোন থেকে বের করার চেষ্টা করে । তারা খুব ভালভাবেই জানে যে কতো দ্রুত কম্ফোর্ট
জোন দৃঢ় অভ্যাসে পরিনত হতে পারে । তারা জানে যা প্রসন্নতা ভবিষ্যত সম্ভাবনাগুলির মহান শত্রু । 

অস্বস্তিবোধকে আলিঙ্গন করে নতুন নতুন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাওয়াতে হবে যদি আপনি এই কম্ফোর্ট জোন থেকে বের হয়ে আসতে চান ।

বাংলা ভাষায় কন্টেন্ট শম্ব্রিদ্ধকরনে লেখাটি শেয়ার করুন , এতে আরও নতুন কিছু লিখার আগ্রহ পাওয়া যায় ।

 ভালো থাকুন ,নিয়ন্ত্রণে রাখুন । 

Similar Posts:

    None Found

Facebook Comments

খুবই সাধারণ সাধাসিধে একজন মানুষ। টেকনোলজি ভালবাসি , ভালবাসি নতুন কিছু শিখতে। আর বিশ্বাস করি শেখানটাই শেখার সবথেকে ভালো মাধ্যম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.